ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন?
- আপডেট সময় : ০৯:২৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন সূত্রে জোরালো গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির হিব্রু ভার্সনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই জল্পনা-কল্পনার কয়েকটি মূল কারণ তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ বা গুজব এখনো কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা খণ্ডন করা হয়নি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে হিব্রু ভাষার কিছু সূত্রে জোরালো গুজব ছড়িয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা খণ্ডন করা হয়নি।
তাসনিম নিউজ এজেন্সির হিব্রু সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই জল্পনার পেছনে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে প্রায় তিন দিন আগে। ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রেও চার দিনের মতো বিরতি দেখা গেছে। এরপর থেকে তার নামে যেসব বিবৃতি এসেছে, সেগুলো কেবল লিখিত আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে প্রায় প্রতিদিনই অন্তত একটি, কখনো কখনো একাধিক ভিডিও প্রকাশ পেত বলে দাবি করা হয়েছে।
হিব্রু ভাষার বিভিন্ন সূত্রের বরাতে আরও বলা হয়, ৮ মার্চ থেকে নেতানিয়াহুর বাসভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে আত্মঘাতী ড্রোন হামলার সম্ভাবনা মাথায় রেখে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং তার বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের নির্ধারিত ইসরায়েল সফর হঠাৎ বাতিল হওয়ার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। কিছু পর্যবেক্ষক মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে নেতানিয়াহুর স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর কথিত টেলিফোন আলাপ নিয়ে প্রকাশিত বিবৃতিতেও নির্দিষ্ট কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে কেবল লিখিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।
এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে হিব্রু ভাষার কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ইসরায়েল সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারি নীরবতার কারণে গুজব আরও ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।















