তথ্যমন্ত্রী: খালেদা জিয়া কেন সেদিন সকালে বাসা ছেড়েছিলেন?

- আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১১০১ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের পেছনের মানুষদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুর পাড়স্থ নিজ বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ নানা ধরনের প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন। তারা নাকি ক্ষমতায় গেলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরো কারা কারা আছে সেগুলো নিয়ে তদন্ত করবেন। এখন আমাদের কথা হলো, খালেদা জিয়া ঘুম থেকে দুপুর ১২টার আগে ওঠেন না। অথচ সেদিন তিনি খুব সকালে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বের হয়ে গেছেন। তারেক রহমানের সঙ্গে ৩০-৪০ বার ফোনে কথা বলেছেন। এটা কেনো এবং এর পেছনের রহস্য কী?
তখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সদ্য সরকার গঠন করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের তখনও দুই মাস পূর্ণ হয়নি। এর মাঝেই মাত্র দেড় মাসের মাথায় এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল। এ ঘটনার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারকে অস্থিতিশীল করা।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, শুধু দেশ নয়, বিশ্বের ইতিহাসে এতবড় একটি হত্যাকাণ্ডের এতগুলো আসামির বিচার হয়েছে বলে খুব কমই উদাহরণ আছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়ার জন্যই এ আইন। তাছাড়া এ বিষয়টা আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে ছিল না। কাজেই ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টিও ছিল না। অনলাইনে যখন একজন সাংবাদিকের চরিত্র হনন করা হয়, গৃহিনীকে অপবাদ দেয়া হয়, সাধারণ মানুষ ডিজিটাল আক্রমণের শিকার হন, তখন তারা কোন আইনে বিচার পাবেন? সে জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রবর্তন।
আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুশতাক আহমেদের মৃত্যু অনভিপ্রেত। তার মৃত্যুতে শোক জানাই। কারা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফেলতি ছিল কি না, সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এ আইনের অপব্যবহার রোধে আমরা সচেতন আছি। বিশেষ করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যেন অপব্যবহার না হয়, সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয় সবসময় সচেতন।