Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Buy Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink satın al

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink panel

Masal oku

Hacklink panel

Hacklink panel

Illuminati

Masal Oku

Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Masal Oku

Backlink paketleri

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

cratosroyalbet

Grandpashabet

Hacklink Panel

slot siteleri

deneme bonusu veren siteler

casibom

Brain Savior Review

holiganbet

https://guinguinbali.com/

boostaro review

NervEase

sapanca escort

hardcore porn

escort sapanca

güvenilir bahis siteleri

jojobet

holiganbet

holiganbet

jojobet

casibom

betmoney

trimology review

jojobet

jojobet

jojobet güncel

jojobet

jojobet adres

jojobet

jojobet giriş

Nitric Boost

Yu sleep review

jojobet güncel giriş

jojobet

jojobet giriş

alpha fuel pro

Alpha Fuel Pro

trimology review

Nitric Boost Ultra

grandpashabet giriş

trendbet

deneme bonusu veren siteler

marsbahis

holiganbet giriş

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

Hacklink Panel

jojobet

bets10

bets10

trust score weak 3

jojobet

jojobet

agb99

Hacking forum

trend hack methods

casibom giriş

deneme bonusu veren siteler

hackhaber

jojobet giriş

onwin

tarafbet

jojobet güncel

jojobet güncel giriş

jojobet giriş

güvenilir bahis siteleri

lunabet

grandpashabet

lunabet

lunabet

deneme bonusu veren siteler

deneme bonusu 2026

casibom

holiganbet

holiganbet giriş

goldenbahis

Primebahis

jojobet giriş

jojobet

jojobet

jojobet

jojobet

jojobet

İzmit Escort Bayan

jojobet

jojobet giriş

jojobet

jojobet

jojobet

Hacklink panel

holiganbet

holiganbet

jojobet

jojobet

tipobet

ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কাতালোনিয়া বিএনপির আংশিক কমিটি ঘোষণা বার্সেলোনায় সফররত বাংলা কাগজের চেয়ারম্যান আবুল আজাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন? বার্সেলোনায় বিয়ানীবাজার জনকল্যান এসোসিয়েশন এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মজলিসু দাওয়াতুল হক বার্সেলোনা শাখার ইফতার অনুষ্ঠিত বার্সেলোনায় কুলাউড়া অ্যাসোসিয়েশনের অভিষেক ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন স্পেনে মজুরি বৃদ্ধি, ব্যবসায়ী সংগঠনকে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর কাতালোনিয়া জাতীয়তাবাদী দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে জয় পাওয়ায় স্পেন বিএনপির উল্লাস টেকনোক্র্যাটে চমক, অভিজ্ঞদের প্রত্যাবর্তন— নতুন মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা

ঐতিহাসিক গণসংবর্ধনায় বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ়প্রত্যয় :তারেক রহমান

জনপ্রিয় অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে পূর্বাচলের তিনশ ফিটের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমেই বললেন, প্রিয় বাংলাদেশ। সবাই মিলে একটি নিরাপদ দেশ গড়ার সময় এসেছে।

দীর্ঘ ১৭ বছরেরও বেশি সময় পর বৃহস্পতিবার দেশে ফিরে সংবর্ধনায় বিএনপির এই শীর্ষ নেতার বক্তব্যে মানুষ যেন স্বস্তি খুঁজে পান। কারণ যে কোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার প্রত্যয়ের পাশাপাশি সব ধরনের উসকানির মুখে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ১৭ মিনিটের বক্তব্য তিনি দেশের মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, হিন্দুসহ সব ধর্মের সবাই মিলে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার বার্তাও দেন।

তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে তারেক রহমানের বক্তব্যে। তিনি দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলার কথা তুলে ধরে সেটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা সবার চান। একই সঙ্গে বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচরদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কেও সতর্ক করে ধৈর্য ধারণ করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। পাশাপাশি একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশের শহীদদের কথাও স্মরণ করেন তিনি।

বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তারেক রহমান। সেখানে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। প্রায় ১ ঘণ্টা বিমানবন্দরে অবস্থান করে দুপুর ১২টা ৪১ মিনিটে পূর্বাচলে নির্মিত গণসংবর্ধনা মঞ্চের উদ্দেশে বাসে যাত্রা করেন তিনি।

এর আগে জন্মভূমির মাটি ছুঁয়ে প্রাণভরে নিশ্বাস নিতে দেখা যায় তাকে। তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরের আশপাশের সড়ক ও পূর্বাচলে সমবেত হয়েছিলেন লাখ লাখ নেতাকর্মীর পাশাপাশি উচ্ছ্বসিত জনতা। তাদের অভিনন্দনের জবাব দিতে দিতে সংবর্ধনাস্থলে যান তারেক রহমান। গাড়িবহরকে সাত কিলোমিটার দূরত্বের এ পথ যেতে ৩ ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। বিকাল ৪টার আগে পূর্বাচলে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত সংবর্ধনা মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।

মঞ্চের ঠিক মাঝখানে তারেক রহমানের জন্য রাখা ছিল বিশেষ নকশার একটি চেয়ার। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি নিজের আসনে বসতে এগিয়ে যান। তবে নির্ধারিত বিশেষ চেয়ারটি দেখে তিনি সেটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। পরে আয়োজকরা মঞ্চের পেছন থেকে একটি সাধারণ হাতলওয়ালা প্লাস্টিকের চেয়ার এনে দিলে সেখানেই তিনি বসেন। কয়েক মিনিট পরই তারেক রহমান তার বক্তব্য শুরু করেন।

লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরে ১৯৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট তেমনি এ দেশের কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসাছাত্র দলমত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ সেদিন এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ চান তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার। আজ আমাদের সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে। একই ভাবে সমতলের মানুষ আছে। এ দেশে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করেন। আমরা চাই সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু-যেই হোক না কেন; নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে ঘরে আবার ফিরে আসতে পারে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘এই দেশে অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী, চার কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, প্রায় পাঁচ কোটির মতো শিশু, চল্লিশ লাখের মতো প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন। প্রায় এক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর রাষ্ট্রের কাছে একটি প্রত্যাশা আছে, একটি আকাঙ্ক্ষা আছে। আজ আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ হই, আমরা যদি সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তাহলে এই লাখো-কোটি মানুষের সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি।’

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ৭১ সালে আমাদের শহীদরা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এরকম একটি বাংলাদেশ গঠনের জন্য। বিগত ১৫ বছর স্বৈরাচারের শাসনামলে শত শত, হাজারো মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। শুধু রাজনৈতিক দলের সদস্য নন, নিরীহ মানুষও এর শিকার হয়েছেন। প্রতিবাদ করতে গিয়ে তারা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন। ২০২৪ সাল মাত্র সেদিনের ঘটনা। আমরা দেখেছি, কিভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। দেশের এই স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার জন্য।’

শরীফ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে ২৪-এর আন্দোলনের এক সাহসী প্রজন্মের এক সাহসী সদস্য শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। ওসমান হাদি শহীদ হয়েছেন। ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক, এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ওসমান হাদিসহ ২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন। ৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে গুম-খুনের শিকার হয়েছেন; এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, আসুন আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব। যেখানে সবাই মিলে কাজ করব, প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচররা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখনো লিপ্ত রয়েছে। আমাদের ধৈর্যশীল হতে হবে। আমাদের ধৈর্যধারণ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যে সদস্যরা আছেন আপনারাই আগামীর দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। এই দেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব আপনাদের কাঁধেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এই দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি শক্ত গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর, যাতে বাংলাদেশ একটি টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।’

তিনি বলেন, ‘আসুন আজকে আমরা দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করে আল্লাহর রহমত চাই। যেসব জাতীয় নেতা মঞ্চে আছেন, মঞ্চের বাইরেও যারা আছেন, আমরা সবাই মিলে এই দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের প্রত্যাশিত সেই বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই। যে কোনো মূল্যে এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যে কোনো উসকানির মুখে আমাদের শান্ত থাকতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই।

মার্টিন লুথার কিংয়ের একটি বিখ্যাত ডায়লগ ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’র কথা উল্লেখ করে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান তারেক রহমান। দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, বিএনপির একজন সদস্য হিসাবে বলতে চাই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি।’

আজ এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে দেশের উন্নয়নের জন্য, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য বাস্তবায়ন করতে হবে। সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি যত মানুষ আছেন, সবার সহযোগিতা আমার লাগবে। প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা লাগবে। যদি আমাদের পাশে থাকেন, যদি আমাদের সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ আমরা আই হ্যাভ এ প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব। আসুন, সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যাই। চলুন, আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি। হে রাব্বুল আলামিন, হে একমাত্র মালিক, হে একমাত্র পরওয়ারদিগার, হে একমাত্র রহমতদানকারী, হে একমাত্র সাহায্যকারী আপনি যদি আমাদের ওপর রহমত করেন, তাহলে আমরা এই দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত অধিকার নিশ্চিত করতে পারব। বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ ও এই দেশের মানুষের পক্ষে থাকে, আল্লাহর সাহায্য ও দয়া এই দেশের ওপর থাকে, ইনশাআল্লাহ প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের মানুষের জন্য আজীবন লড়াইয়ের কথাও স্মরণ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, সন্তান হিসাবে আমার মন মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে। সেই হাসপাতালের ঘরে কিন্তু সেই মানুষটি। যাদের জন্য তিনি জীবনকে উৎসর্গ করেছেন, এই দেশের মানুষের জন্যই আজীবন লড়াই করেছেন। সেই মানুষগুলোকে আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারি না। সেজন্যই আসুন আমাদের আজকে নিশ্চিত করতে হবে, আমরা যে ধর্মের মানুষ হই, যে শ্রেণির মানুষ হই, যে দলেরই রাজনৈতিক সদস্য হই অথবা একজন নির্দলীয় ব্যক্তি হই; আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো মূল্যে এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলাকে ধরে রাখতে হবে। যে কোনো মূল্যে বিশৃঙ্খলাকে পরিত্যাগ করতে হবে। যে কোনো মূল্যে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। হোক শিশু নারী বা পুরুষ হোক, যে কোনো বয়স, যে কোনো শ্রেণি-পেশা বা ধর্মের মানুষ, সবাই যেন নিরাপদ থাকেন।

সবাই মিলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সবাই মিলে করব কাজ, গড়ব মোরা বাংলাদেশ। সবশেষে তাকে বরণ করে নেওয়া জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারেক রহমান।

তারেক রহমানের আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। সংবর্ধনা মঞ্চে এ দুজন ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব ও দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এছাড়া দীর্ঘদিনের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) তানিয়া রব, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে মঞ্চ থেকে বক্তৃতা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঐতিহাসিক গণসংবর্ধনায় বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ়প্রত্যয় :তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৫:২২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে পূর্বাচলের তিনশ ফিটের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমেই বললেন, প্রিয় বাংলাদেশ। সবাই মিলে একটি নিরাপদ দেশ গড়ার সময় এসেছে।

দীর্ঘ ১৭ বছরেরও বেশি সময় পর বৃহস্পতিবার দেশে ফিরে সংবর্ধনায় বিএনপির এই শীর্ষ নেতার বক্তব্যে মানুষ যেন স্বস্তি খুঁজে পান। কারণ যে কোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার প্রত্যয়ের পাশাপাশি সব ধরনের উসকানির মুখে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ১৭ মিনিটের বক্তব্য তিনি দেশের মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, হিন্দুসহ সব ধর্মের সবাই মিলে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার বার্তাও দেন।

তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে তারেক রহমানের বক্তব্যে। তিনি দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলার কথা তুলে ধরে সেটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা সবার চান। একই সঙ্গে বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচরদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কেও সতর্ক করে ধৈর্য ধারণ করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। পাশাপাশি একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশের শহীদদের কথাও স্মরণ করেন তিনি।

বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তারেক রহমান। সেখানে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। প্রায় ১ ঘণ্টা বিমানবন্দরে অবস্থান করে দুপুর ১২টা ৪১ মিনিটে পূর্বাচলে নির্মিত গণসংবর্ধনা মঞ্চের উদ্দেশে বাসে যাত্রা করেন তিনি।

এর আগে জন্মভূমির মাটি ছুঁয়ে প্রাণভরে নিশ্বাস নিতে দেখা যায় তাকে। তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরের আশপাশের সড়ক ও পূর্বাচলে সমবেত হয়েছিলেন লাখ লাখ নেতাকর্মীর পাশাপাশি উচ্ছ্বসিত জনতা। তাদের অভিনন্দনের জবাব দিতে দিতে সংবর্ধনাস্থলে যান তারেক রহমান। গাড়িবহরকে সাত কিলোমিটার দূরত্বের এ পথ যেতে ৩ ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। বিকাল ৪টার আগে পূর্বাচলে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত সংবর্ধনা মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।

মঞ্চের ঠিক মাঝখানে তারেক রহমানের জন্য রাখা ছিল বিশেষ নকশার একটি চেয়ার। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি নিজের আসনে বসতে এগিয়ে যান। তবে নির্ধারিত বিশেষ চেয়ারটি দেখে তিনি সেটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। পরে আয়োজকরা মঞ্চের পেছন থেকে একটি সাধারণ হাতলওয়ালা প্লাস্টিকের চেয়ার এনে দিলে সেখানেই তিনি বসেন। কয়েক মিনিট পরই তারেক রহমান তার বক্তব্য শুরু করেন।

লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরে ১৯৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট তেমনি এ দেশের কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসাছাত্র দলমত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ সেদিন এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ চান তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার। আজ আমাদের সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে। একই ভাবে সমতলের মানুষ আছে। এ দেশে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করেন। আমরা চাই সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু-যেই হোক না কেন; নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে ঘরে আবার ফিরে আসতে পারে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘এই দেশে অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী, চার কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, প্রায় পাঁচ কোটির মতো শিশু, চল্লিশ লাখের মতো প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন। প্রায় এক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর রাষ্ট্রের কাছে একটি প্রত্যাশা আছে, একটি আকাঙ্ক্ষা আছে। আজ আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ হই, আমরা যদি সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তাহলে এই লাখো-কোটি মানুষের সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি।’

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ৭১ সালে আমাদের শহীদরা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এরকম একটি বাংলাদেশ গঠনের জন্য। বিগত ১৫ বছর স্বৈরাচারের শাসনামলে শত শত, হাজারো মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। শুধু রাজনৈতিক দলের সদস্য নন, নিরীহ মানুষও এর শিকার হয়েছেন। প্রতিবাদ করতে গিয়ে তারা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন। ২০২৪ সাল মাত্র সেদিনের ঘটনা। আমরা দেখেছি, কিভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। দেশের এই স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার জন্য।’

শরীফ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে ২৪-এর আন্দোলনের এক সাহসী প্রজন্মের এক সাহসী সদস্য শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। ওসমান হাদি শহীদ হয়েছেন। ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক, এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ওসমান হাদিসহ ২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন। ৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে গুম-খুনের শিকার হয়েছেন; এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, আসুন আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব। যেখানে সবাই মিলে কাজ করব, প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচররা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখনো লিপ্ত রয়েছে। আমাদের ধৈর্যশীল হতে হবে। আমাদের ধৈর্যধারণ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যে সদস্যরা আছেন আপনারাই আগামীর দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। এই দেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব আপনাদের কাঁধেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এই দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি শক্ত গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর, যাতে বাংলাদেশ একটি টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।’

তিনি বলেন, ‘আসুন আজকে আমরা দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করে আল্লাহর রহমত চাই। যেসব জাতীয় নেতা মঞ্চে আছেন, মঞ্চের বাইরেও যারা আছেন, আমরা সবাই মিলে এই দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের প্রত্যাশিত সেই বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই। যে কোনো মূল্যে এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যে কোনো উসকানির মুখে আমাদের শান্ত থাকতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই।

মার্টিন লুথার কিংয়ের একটি বিখ্যাত ডায়লগ ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’র কথা উল্লেখ করে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান তারেক রহমান। দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, বিএনপির একজন সদস্য হিসাবে বলতে চাই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি।’

আজ এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে দেশের উন্নয়নের জন্য, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য বাস্তবায়ন করতে হবে। সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি যত মানুষ আছেন, সবার সহযোগিতা আমার লাগবে। প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা লাগবে। যদি আমাদের পাশে থাকেন, যদি আমাদের সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ আমরা আই হ্যাভ এ প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব। আসুন, সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যাই। চলুন, আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি। হে রাব্বুল আলামিন, হে একমাত্র মালিক, হে একমাত্র পরওয়ারদিগার, হে একমাত্র রহমতদানকারী, হে একমাত্র সাহায্যকারী আপনি যদি আমাদের ওপর রহমত করেন, তাহলে আমরা এই দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত অধিকার নিশ্চিত করতে পারব। বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ ও এই দেশের মানুষের পক্ষে থাকে, আল্লাহর সাহায্য ও দয়া এই দেশের ওপর থাকে, ইনশাআল্লাহ প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের মানুষের জন্য আজীবন লড়াইয়ের কথাও স্মরণ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, সন্তান হিসাবে আমার মন মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে। সেই হাসপাতালের ঘরে কিন্তু সেই মানুষটি। যাদের জন্য তিনি জীবনকে উৎসর্গ করেছেন, এই দেশের মানুষের জন্যই আজীবন লড়াই করেছেন। সেই মানুষগুলোকে আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারি না। সেজন্যই আসুন আমাদের আজকে নিশ্চিত করতে হবে, আমরা যে ধর্মের মানুষ হই, যে শ্রেণির মানুষ হই, যে দলেরই রাজনৈতিক সদস্য হই অথবা একজন নির্দলীয় ব্যক্তি হই; আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো মূল্যে এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলাকে ধরে রাখতে হবে। যে কোনো মূল্যে বিশৃঙ্খলাকে পরিত্যাগ করতে হবে। যে কোনো মূল্যে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। হোক শিশু নারী বা পুরুষ হোক, যে কোনো বয়স, যে কোনো শ্রেণি-পেশা বা ধর্মের মানুষ, সবাই যেন নিরাপদ থাকেন।

সবাই মিলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সবাই মিলে করব কাজ, গড়ব মোরা বাংলাদেশ। সবশেষে তাকে বরণ করে নেওয়া জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারেক রহমান।

তারেক রহমানের আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। সংবর্ধনা মঞ্চে এ দুজন ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব ও দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এছাড়া দীর্ঘদিনের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) তানিয়া রব, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে মঞ্চ থেকে বক্তৃতা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।